নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করুন 2-Step Verification-এর মাধ্যমে, জেনে নিন কীভাবে কাজ করে

0

 নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করুন 2-Step Verification-এর মাধ্যমে



Two Step Verification: বর্তমানে প্রায় সকলেই দিনের অধিকাংশ সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় অতিবাহিত করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপের মতো বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাটফর্ম খুবই জনপ্রিয়। অনেকেই ঘন্টার পর ঘন্টা এই ধরনের অ্যাপে সময় কাটান। এর ফলে হ্যাকারদের নজর পড়েছে এই সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর।

সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের বিষয় রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি সম্পর্কে জানা গেলেও, এমন অনেক কিছু বিষয় রয়েছে যা অনেকেরই অজানা। সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম সুরক্ষিত রাখার জন্য বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে। কিন্তু অনেকেই টু স্টেপ ভেরিফিকেশন নিয়ে তেমন ভাবেন না। এর নাম অনেকে শুনলেও, তাঁরা এর ব্যবহার ঠিক মতো জানেন না। এক নজরে তাই দেখে নেওয়া যাক টু স্টেপ ভেরিফিকেশনের সমস্ত খুঁটিনাটি।

আরও পড়ুন - 

টু স্টেপ ভেরিফিকেশন হল একটি সিকিউরিটি লেয়ার। যেখানে ইউজারদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সিকিউরিটির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এটি ব্যবহার করা হয় সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাটফর্মের ইউজারদের অ্যাকাউন্টের সিকিউরিটি বাড়ানোর জন্য। এটি ব্যবহার করলে ইউজাররা অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং এবং অন্যান্য বিভিন্ন ধরনের সমস্যা থেকে সুরক্ষিত থাকতে পারেন। টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন ইউজারদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের সিকিউরিটি দ্বিগুন করে দেয়।

টু স্টেপ ভেরিফিকেশন যেভাবে কাজ করে -

সোশ্যাল মিডিয়ায় যে কোনও ওয়েবসাইট অথবা অ্যাপ ব্যবহার করার জন্য আইডি, পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হয়। এর ফলে কেউ যদি সেই আইডি ও পাসওয়ার্ড কোনও ভাবে দেখে নেয় অথবা হ্যাক করে নেয় তাহলে সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। এই ক্ষেত্রেই কাজ করে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন। ইউজারদের আইডি এবং পাসওয়ার্ড অন্যের হাতে চলে গেলে ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে।

আরও পড়ুন - 

এক্ষেত্রে টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন থাকা খুবই জরুরি। এই টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন ইউজারদের অ্যাকাউন্টে অন করা থাকলে, অন্য কোনও ব্যক্তি সেই অ্যাকাউন্টে লগইন করতে পারবে না। কারণ এক্ষেত্রে শুধু পাসওয়ার্ড এবং আইডি দিয়েই অ্যাকাউন্টে লগইন করা সম্ভব হবে না। টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন অ্যাকটিভ করা থাকলে লগইন করার জন্য ওটিপি দিতে হবে। আর এই ওটিপি শুধুমাত্র ইউজারদের রেজিস্টার করা মোবাইল নম্বার অথবা ই-মেল আইডিতে পাঠানো হয়।

অর্থাৎ কোনও হ্যাকার যদি ইউজারদের অ্যাকাউন্টে লগইন করার চেষ্টা করে তাহলে টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশনের মাধ্যমে ওটিপি রেজিস্টার মোবাইল নম্বর অথবা ই-মেলে সেন্ড করা হবে। এই ই-মেল আইডি এবং রেজিস্টার করা মোবাইল নম্বরের অ্যাকসেস ইউজারদের কাছেই থাকে অর্থাৎ হ্যাকার বা অন্য কেউ ইউজারদের সেই অ্যাকাউন্টে লগইন করতে পারবে না।

টু স্টেপ ভেরিফিকেশনের লাভ -

১ - এর মাধ্যমে ইউজারদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের সিকিউরিটি দ্বিগুন হয়ে যায়। এর ফলে সেই সকল অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

২ - এটি অ্যাকটিভ করার ফলে অন্য কেউ ইউজারদের সেই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারে না।

৩ - টু স্টেপ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে ব্যাঙ্কিং ওয়েবসাইট অথবা অ্যাপে ইউজারদের অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখা সম্ভব। এটি অ্যাকটিভেট করা থাকলে অন্য কেউ ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চুরি করতে পারবে না।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0মন্তব্যসমূহ

Wellcome Everyone

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)